এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু

আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো?

বন্ধুরা আমি এই আর্টিকেলে শিখবো আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো তা। কারণ, আপনার ইতিমধ্যে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছেন। আর আপনি যদি এফিলিয়েট মার্কেটিং তা না জেনে থাকেন তাহলে আপনি আমাদের আগের ব্লগপোষ্ট দেখে আসার আমন্ত্রণ রইল। কারণ হিসেবে বলা যায়, আপনি যদি এফিলিয়েট মার্কেটিং কি তা না জেনে থাকেন তাহলে আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরুবেন বুঝবেন না।

আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং হল এফিলিয়েটদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। যেটির মাধ্যমে যেকোন এফিলিয়েটররা কাজ করতে আগ্রহী। আমাজন বর্তমানে বিশ্বের এক নম্বর অনলাইন শপিং সাইট। তাদের প্রোডাক্টের চাহিদা বিশ্বব্যাপী চাহিদার উর্ধ্বে। কারণ, তাদের প্রোডাক্টগুলো যেমন বাছাই করা তেমন তাদের সকল কার্যক্রম ও পরিষেবা গ্রাহকদের গ্রহণযোগ্য বেশি।

তাই তাদের বিশ্বে কোটি কোটি গ্রাহক রয়েছে। তাদের ওয়েবসাইটে ৩৫০ মিলিয়নেরও বেশি প্রোডাক্ট রয়েছে। তারা শুধুমাত্র ২০২০ সালেই ১২ মিলিয়ন প্রোডাক্ট বিক্রি করেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের ই-কমার্সের ৪৯ শতাংশ শেয়ার ধরে রেখেছে।

আসুন তাদের সম্পর্কে গুরুত্বপূণ কিছু তথ্য জেনে নিই:

  • প্রতি ১০ গ্রাহকদের মধ্যে প্রতি ৯ জন অ্যামাজনে একটি পণ্যের মূল্য দেখেন।
  • ইকো মালিকদের ২% আলেক্সার মাধ্যমে একটি পণ্য হলেও কিনে থাকেন।
  • অ্যামাজন প্রতিবছর ১২ মিলিয়নেরও বেশি পণ্য বিক্রি করে।
  • অ্যামাজন ১.১ মিলিয়নের বেশি বাড়ির উন্নয়ন সামগ্রী বিক্রি করে থাকে প্রতি বছর।
  • শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে ৯৫ মিলিয়ন মানুষের অ্যামাজন প্রাইমে সদস্যতা রয়েছে।
  • আমাজন প্রাইমে প্রতি বছর একজন গ্রাহক $1.4k ব্যয় করে থাকে।
  • ২০১৭ সালে বিশ্বব্যাপী ৫ বিলিয়নেরও বেশি আইটেম প্রেরণ করেছে অ্যামাজন।
  • আমাজনের বিক্রয়ের ৫০% এর বেশি তৃতীয় পক্ষ/এফিলিয়েটদের কাছ থেকে বিক্রেতার কাছ থেকে আসে।

উপরের একটি তথ্যে ভালোভাবে খেয়াল করে দেখুন, আমাজনের সারাবছর যা বিক্রি হয় তার ৫০% বিক্রি হয় যারা আমাজন এফিলিয়েট করেন তাদের মাধ্যমেই। এবার চিন্তা করে দেখুন, আমাজান এফিলিয়েট সারা বিশ্বব্যাপী কতটা জনপ্রিয়। আসুন, কথা না বাড়িয়ে আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো তা দেখে নিই।

আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবেন?

আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবেন এই প্রশ্ন যদি আপনার কাছে ঘুরপাক খায়, তাহলে আপনাকে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তাছাড়া আমাজনের নাম মাত্র কিছু শর্ত আছে, যেগুলো পূরণ করে আপনি আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে পারবেন। তাছাড়া আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবেন সে সকল নির্দেশা সম্পর্কে বর্ণনা করেছি নিম্নে।

আমাজন অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম কি?

আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রাম বা আমাজন এসোসিয়েটস হল আমাজন শপিং সাইটের পণ্যের প্রচারণা প্রোগ্রাম। বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মালিক এবং ব্লগাররা এখানে বিনামূল্যে চুক্তিবদ্ধ হয় আমাজনের সাথে পণ্যের প্রচার করার জন্য।

ওয়েবসাইটে মালিকগণ ও ব্লগাররা তাদের সাইটে আমাজনের পণ্য বিজ্ঞাপন দেয় আমাজন এসোসিয়েটস থেকে লিংক তৈরি করে। তাদের ওযেবসাইট থেকে কোন ভিজিটর তাদের লিংকে ক্লিক করে আমাজনের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আমাজন থেকে যেসকল প্রোডাক্ট ক্রয় করে সেই সকল প্রোডাক্টের উপরে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পেয়ে থাকেন।

অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম কীভাবে কাজ করে?

আমরা সাধারণত জানি, আমাজন এফিলিয়েট প্রোগ্রামের মাধ্যমে ওয়েবসাইট মালিক কিংবা ব্লগাররা বিভিন্ন পণ্যের লিংক তৈরি করে। তাদের তৈরি করা লিংকগুলি দ্বারা নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রচার করে এবং আমাজনে রেফারেলকারী হিসেবে ট্র্যাফিক পাঠিয়ে থাকে। সহযোগীদের পাঠানো ট্র্যাফিক থেকে কোন গ্রাহক আমাজন থেকে প্রোডাক্ট কিনে থাকলে সেই প্রোডাক্টের কমিশন উপার্জন করেন সহযোগীরা।

আমাজনে এটা কিভাবে কাজ করে তা একনজরে দেখে নিই:

  • ওয়েবসাইট মালিক বা ব্লগাররা আমাজন এসোসিয়েটসে একটি এফিলিয়েট একাউন্ট তৈরি করে।
  • আমাজন প্রতিটি ওয়েবসাইটের মালিককে একটি ইউনিক এফিলিয়েট আইডি প্রদান করে থাকে।
  • ওয়েবসাইট এফিলিয়েট এর জন্য অনুমোদন পেয়ে গেলে, এফিলিয়েটরা আমাজনের নিজস্ব পোর্টালে এফিলিয়েট লিংক তৈরি করতে পারেন।
  • তারপর এফিলিয়েটর বা ওয়েবসাইট মালিকরা তাদের ব্লগ বা অন্যান্য অংশে তাদের তৈরি করা লিংকগুলি স্থাপন করতে পারে।
  • কেউ যদি একবার লিংকে করে ২৪ ঘন্টার মধ্যে কোন প্রোডাক্ট কিনে তাহলে সেই লিংকের সহযোগী কমিশন আয় করে।

এটা খুবই সহজ ও সাধারণ একটি প্রক্রিয়া।

আরো পড়ুন:

আমাজন অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম কত টাকা দেয়?

আপনি আমাজনের কতটি প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারছেন তার ওপর নির্ভর করে কত টাকা আমাজন এফিলিয়েট থেকে আয় করতে পারবেন। আপনি আমাজন সাধারণত, ১০০ ডলার থেকে শুরু করে ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত ইনকাম করত পারবেন। আমরা আগেই জেনেছি, আমাজন এফিলিয়েট মূলত কমিশন শেয়ার করে তার সহযোগীদের সাথে। তাদের প্রতিটি বিক্রয়ের উপর একটি নির্দিষ্ট শতাংশ আপনাকে তার প্রদান করবে।

কমিশনের হার ও কতবেশি বিক্রি করতে পারছেন তার ওপর নির্ভর করে আপনার আয় কতবেশি হবে। আপনি নিজের ওয়েবসাইটে ৭% কমিশন হারে ২০০ ডলার মূল্যের ৫টি ছুরি বিক্রি করেন তাহলে আপনি এখান থেকে ৭০ ডলার ইনকাম করতে পারবেন খুব সহজেই। আর আপনি একই প্রতি ১৫০টি বিক্রি করতে পারেন তবে আপনি প্রতি মাসে ২১০০ ডলার আয় করতে পারবেন। এটা সম্পূর্ণ পণ্যের কমিশন ও বিক্রির উপর নির্ভর।

এজন্য আপনি আমাজনে যুক্ত হওয়ার সাথে সাথে কমিশন হারের তালিকা দেখে নিবেন অবশ্যই। এতে করে কমিশন বেশি এমন পণ্যগুলো পেতে সহজ হবে আপনার পক্ষে।

অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামের নিয়ম এবং প্রয়োজনীয়তা?

আমাজন এসোসিয়েটস আপনাকে স্মার্ট একটি ক্যারিয়া দাঁড় করানোর দারুন একটি সুযোগ প্রদান করে থাকে। কারণ, এটি আপনার ওয়েবসাইট মনিটাইজ করতে দেয় এবং আপনার ওয়েবসাইট থেকে একটি প্যাসিভ ইনকাম করার সুযোগ দিয়ে থাকে।

তাদের সহযোগীদের সুবিধার্তে একটি নির্দেশিকা রয়েছে যা সহযোগীদের অবশ্যই অনুসরণ করতে হয়। এই নির্দেশিকা মেনে না চললে পরবর্তীতে তারা প্রোগ্রামে জয়েন হতে পারে না কিংবা প্রোগ্রাম থেকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ হতে পারে।

বেশিরভাগ নিয়ম নৈতিকভাবে পণ্য প্রচার করার জন্য পাশাপাশি সহযোগীদের নির্দিষ্ট একটি সিষ্টেমে রাখার জন্য এই নির্দেশিকা। এসব নির্দেশিকা মাথায় রেখে আপনাকে অবশ্যই কাজ করতে হবে। না হয় পরবর্তীতে আপনি নিষিদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনাটা বেড়ে যাবে অনেকটা।

চলুন নির্দেশিকাগুলি দেখে নিই একনজরে:

  • আপনার সাইটে অবশ্যই আপনাকে যোগাযোগের ঠিকানা প্রকাশ করতে হবে বা যোগাযোগ ফর্ম রাখতে হবে। যদি আপনি তা করেন তাহলে উপার্জন করার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
  • আপনার সাইটে প্রচার করা পণ্যগুলির দাম উল্লেখ করতে পারবেন না (কিছু ব্যতিক্রম) কারণ তাদের পণ্যগুলির দাম ঘন ঘন পরিবর্তন হতে থাকে।
  • অফলাইন পণ্যের প্রচার, ই-বুক কিংবা ই-মেইলে আমাজন এফিলিয়েট লিংকগুলি ব্যবহার করতে পারবেন না।
  • এফিলিয়েট লিংকগুলি শর্ট করতে পারবেন না।

এফিলিয়েট মার্কেটের জন্য আমাজন এফিলিয়েট অন্যতম ও অনন্য। কিন্ত মনে রাখবেন, একমাত্র আমাজন নয় আরো অনেক এফিলিয়েট ওয়েবসাইট আছে। আপনি যদি আমাজন এসোসিয়েটসের যোগ্য না হোন তবে অন্যান্য এফিলিয়েটে চেষ্টা করতে পারেন খুব সহজেই।

একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি করুন।

আপনাকে আমাজন এসোসিয়েটসের সদস্যতা লাভ করার জন্য, আপনার নিজের একটি চলমান আছে এরকম একটি ওয়েবসাইট, ব্লগ কিংবা ইউটিউব চ্যানেল থাকতে হবে। আপনার ওয়েবসাইটটি যদি আগে থেকে জনপ্রিয় হয়ে থাকে বিভিন্ন কনটেন্টসহ তাহলে এটি ব্যবহারকারী ও আমাজনের কাছে সক্রিয় হিসেবে দেখায়।

আমি আপনাকে এই ব্লগপোস্টে দেখাব কিভাবে ওয়েবসাইট দ্বারা আমাজন এফিলিয়েটে চুক্তিবদ্ধ হবেন। এজন্য ওয়েবসাইটের খুটিনাটি বিষয়সহ কিছু টিপস শেয়ার করব।

আপনাকে ওয়েবসাইট তৈরি করার আগে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, আপনার সাইটের উদ্দেশ্য। এতে করে আমাজন খুব সহজে বুঝে নিবে আপনার ওয়েবসাইটে বর্ণনা। তাই সাইট তৈরি করার আগে আপনাকে পরিষ্কার হতে হবে, কেন আপনি সাইটটি তৈরি করছেন? আপনি কাদের জন্য সাইটটি তৈরি করছেন এবং কিভাবে ট্র্যাফিক আনবেন আপনার সাইটে সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান বা ধারণা থাকতে হবে।

আর তাছাড়া আপনার যদি ওয়েবসাইট না থাকে আপনাকে ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে হবে। আপনি কিভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন তা সম্পর্কে জ্ঞান না থাকলে কারো সাহায্য কিংবা হায়ার করে তৈরি করে নিতে পারেন।

ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য আপনাকে একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে হবে। জনপ্রিয় অনেকগুলি ডোমেইন এবং হোস্টিং কোম্পানি তাদের কাছ থেকে কিনে নিতে পারবেন।

আপনি চাইলে জনপ্রিয় ডোমেইন এবং হোস্টিং কোম্পানি নেমচিপ থেকে আমাদের পাঠক হিসেবে ৪৯% ছাড়ে অন্যান্য কোম্পানির চাইতে তুলনামূলক কম দামে ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে পারবেন। তাছাড়া আপনি হোস্টিং কিনলে এক বছরের জন্য একটি ডোমেইন নেইম ফ্রি পাবেন। তাদের রয়েছে বিশ্বমানের সেবা প্রদানকারী টিম। আপনি চাইলে এখান থেকে বিস্তারিত জানতে পারবেন। প্রতি মাসে আপনি মাত্র ১.৮৮ ডলার প্রদান করে হোস্টিং কিনতে পারবেন।

ওয়েবসাইটকে কার্যকরী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ সমূহ?

আপনি যদি ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলেন, এখন আপনার কাজ হবে সঠিকভাবে আমাজনের পণ্যগুরো প্রচার করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনাকে কিছু পথ অবলম্বন করতে হবে না হয় আপনি সফল হবেন বলে আমি মনে করি না। আমাজনের পণ্যগুলোর প্রচারের জন্য আপনার ওয়েবসাইটে ‘সেরা পণ্য’ ‘সেরা পণ্যের রিভিউ’ বিষয়ে আর্টিকেল বা কনটেন্ট আপলোড করতে হবে।

১. নিশ নির্বাচন করুন।

আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রথম পদক্ষেপ হল নিশ সিলেকশন। এখন আপনার মাথায় আসছে নিশ জিনিসটা আবার কি? আমাজনে যেহেতু লক্ষ লক্ষ প্রোডাক্ট রয়েছে সেই লক্ষ লক্ষ প্রোডাক্ট থেকে আপনি কাজ করতে আগ্রহী এবং কার্যকরী হবে মার্কেটিংয়ের জন্য এমন একটি প্রোডাক্ট বা প্রোডাক্ট ক্যাটাগরি বাছাই করাকেই নিশ সিলেকশন বলে।

নিশ নির্বাচন

উপরের ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন, Girl’s Fasheion ক্যাটাগরির অধীনে Jewelery সাব-ক্যাটাগরির অধীনে Earrings হল একটি নিশ।

শুরুর দিকে আপনি একটি নিশ নিয়ে কাজ করলে সফল হবেন। আর আপনি যদি এক্সপার্ট হয়ে থাকেন, অবশ্যই মাল্টি-নিশ নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন।

আপনাকে সফল হতে হলে এমন একটি নিশ বাছাই করতে হবে যেটিতে কাজ করা আপনার জন্য সহজ ও লাভজনক হবে।

নিশ সিলেকশন টিপস:

  • সারাবছর চাহিদা রয়েছে এমন নিশ সিলেকশন করুন।
  • কম্পিটিটর এনালাইসিস করুন ও যে নিশে কম্পিটিটর যত কম থাকবে যতই কত থাকবে ততই আপনার সফলতা লাভ করার সুযোগ বেশি।
  • ১০০ ডলারের উপরে দাম এমন নিশ নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন। এতে করে আপনি কম বিক্রি করতে পারলেও কমিশনের হারটা বেশি থাকবে। মাস শেষে একটা ভাল ইনকাম পে-আউট করতে পারবেন।
  • যেই নিশটা বাছাই করবেন সেই নিশে কেমন প্রোডাক্ট (কতগুলো) রয়েছে তা খেয়াল রাখতে হবে। কারণ প্রোডাক্ট বেশি থাকলে কাজ বেশিদিন করা যায়।
  • প্রোডাক্টগুলোর আমাজনে রিভিউ কেমন তা দেখা উচিত।
  • নিশ ক্যাটাগরি যত ছোট করতে পারবেন ততই আপনার জন্য ভাল ।

২. কিওয়ার্ড রিসার্চ।

আপনি যে নিশ বাছাই করবেন সে নিশ এর ওপর অবশ্যই কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে। কিওয়ার্ড রির্সাচ এর ওপর নির্ভর করবে আপনার সফলতা। কিওয়ার্ড রিসার্চ হল এসইওয়ের অন্যতম ও প্রধান একটি শাখা। এই পদক্ষেপটি আপনি যত ভাল করে করতে পারবেন আপনার সফলতার ততই কাছে। এখন আপনার মনে হতে পারে এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য কি ধরনের কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে?

চলুন আপনার প্রশ্নের উত্তর দেই:

মনে করলাম, আপনি Earrings নিয়ে কাজ করবেন। তাহলে আপনাকে Best Earrings, Best Earring reviews, cheap earrings, top earrings for women ইত্যাদি কিওয়ার্ড নিয়ে রিসার্চ করলে আপনি আরো অনেক কিওয়ার্ড পেয়ে যাবেন। আর এ ধরণের কিওয়ার্ডগুলোকে Buying keyword বলা হয়। কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই কিছু টুলসের সাহায্য নিতে হবে।

কিওয়ার্ড রিসার্চ

কিওয়ার্ড রিসার্চ এর জন্য Ahref, SEMRUSH, Ubersugest, Mozpro সহ আরো বেশ কিছু টুলস রয়েছে। এগুলো মূল পেইড টুলস্। আর আপনি যদি ফ্রিতে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে চান, তাহলে Google adwords, Google trends ব্যবহার করে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে।

কিছু কিওয়ার্ড রিসার্চ টিপস:

  • আপনার বাছাই করা কিওয়ার্ডটির Keyword Dificulty অবশ্যই ২০ এর নিচে থাকতে হবে। তাহলে আপনি সহজে কম্পিটিটরদের ব্রেক করতে পারবেন। তবে Keyword Dificulty যত কম নিয়ে কাজ করতে পারবেন ততই আপনার জন্য সবকিছু সহজ মনে হবে।
  • সব কম্পিটিটর সঠিক আর্টিকেলটি লিখেছে কিনা।
  • আর্টিকেল ইন-ডেপথ লিখেছে কিনা।
  • কম্পিটিটর এর ব্যাকলিংক কয়টা আছে।
  • ভাল করে কম্পিটিটরকে বুঝতে হবে।

এসব বিষয় মাথায় রেখে আপনাকে কাজ করতে হবে। আপনাকে বুঝতে হবে কোন বিষয়টা নিয়ে কাজ করলে আপনি এগুতে পারবেন।

৩. আর্টিকেল রাইটিং।

উপরের দুটি ধাপ সম্পন্ন করার আপনাকে আর্টিকেল রাইটিংয়ে সবচেয়ে বেশি মনোযোগী এবং পরিশ্রমী হতে হবে। কারণ, আপনাকে আর্টিকেল রাইটিংয়ের মাধ্যমে আপনাকে গ্রাহকদের দৃষ্টি আর্কষণ করতে হবে, আপনার প্রচারকৃত পণ্যটি কেনার জন্য। আপনার আর্টিকেলটি এমনভাবে লিখতে হবে, যাতে করে গ্রাহক আগ্রহী হয় পণ্যটি কিনতে। আর আপনার টার্গেট থাকবে আপনি কিভাবে লেখার মাধ্যমে গ্রাহক আকৃষ্ট করতে পারেন।

বলে রাখি, আপনার যদি আর্টিকেল লিখার জ্ঞান না থাকে তাহলে কাউকে হায়ার করতে পারেন আর্টিকেল লেখার জন্য। এতে করে আপনার কাজটি আরো বেশি সহজ হতে পারে। তবে আপনি নিজে করতে পারলে সবচেয়ে বেশি ভাল হয়।

কারণ, আপনি নিজে করলে তেমন একটা বিনিয়োগ করতে হবে না। আর নিজে নিজে একটা দুইটা আর্টিকেল লিখতে লিখতে আপনার ধারণা হয়ে যাবে কিভাবে আর্টিকেল লিখতে হবে তা। আর তাছাড়া আপনি গুগল ও ইউটিউব একটু খোঁজলে আর্টিকেল লিখার অনেক টিউটেরিয়াল খুজে পাবেন সেখান থেকে জেনে নিতে পারেন।

অ্যামাজন অ্যাসোসিয়েটস এ “সাইন আপ করুন” এ ক্লিক করুন।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি এবং আর্টিকেল পাবলিশ করার পরে, এখন আপনার কাজ হবে আমাজনের সাথে চুক্তিবদ্ধ বা যুক্ত হওয়া। এজন্য আপনাকে সর্বপ্রথম আমাজন এসোসিয়েটস একাউন্ট তৈরি করতে হবে।

Amazon Associates Home page

একাউন্ট তৈরি করার আপনাকে আমাজন এসোসিয়েটসের হোমপেজে গিয়ে এবং ‘Sign Up’ এ ক্লিক করুন।

সেখান থেকে আপনাকে আপনার বিদ্যমান আমাজন একাউন্ট দিয়ে লগইন করতে বলা হবে। যদি আপনার একাউন্ট না থাকে তাহলে আপনাকে নতুন একাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে।

Create your amazon account

নতুন একাউন্ট তৈরি করার জন্য আপনি ‘Create your amazon account’ এ ক্লিক করতে হবে। তারপর নিচের পেজটি আসবে।

এখানে আপনার নাম, ই-মেইল, পার্সওয়ার্ড দিয়ে ‘Create your amazon account’ ক্লিক করে একাউন্টটি তৈরি করে নিতে হবে।

আপনার অ্যাকাউন্ট এর তথ্য দিন।

এখানে আপনার একাউন্টের তথ্য দিতে হবে (আপনার নাম, ঠিকানা, এবং ফোন নম্বর) যাতে আপনি আপনার আয় করা টাকা সঠিকভাবে পেয়ে যান। তাই সবকিছু যেন সঠিক হয় তা অবশ্যই খেয়াল রাখবেন।

আপনার একাউন্টের তথ্য দিন।

আপনার ওয়েবসাইটের ঠিকানা দিন।

এখানে আপনাকে আপনার ইউটিউব চ্যানেল বা আপনার ওয়েবসাইটের লিংক দিতে হবে। আপনার যেহেতু ওয়েবসাইট রয়েছে তাই ওযেবসাইটের লিংক দিন।

আপনার ওয়েবসাইটের ঠিকানা দিন।

আপনার পছন্দের দোকান আইডি খুলুন।

এই পেজে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট সম্পর্কে কিছু তথ্য প্রদান করতে হবে। আপনাকে আপনার পছন্দের দোকান আইডি প্রদান করতে হবে, যা আপনার ওয়েবসাইটের মতোও হতে পারে। তাছাড়া আপনার ওয়েবসাইটটি কোন ধরণের এবং আপনি কোন ধরণের পণ্যের লিংক তৈরি করতে চান সে সম্পর্কে আমাজনকে তথ্য প্রদান করুন।

আপনার পছন্দের দোকান আইডি খুলুন।

আপনি কীভাবে আপনার সাইটে ট্রাফিক চালান তা ব্যাখ্যা করুন।

আপনি কীভাবে সাইটের ট্র্যাফিক আনেন তা দিতে হবে, আপনি কীভাবে আপনার ওয়েবসাইট ও অ্যাপ থেকে আয় করবেন? আপনি সাধারণত কতটা লিংক তৈরি করেন? আপনার ওয়েবসাইটে মাসে কতজন মৌলিক (Unique) ভিজিটর আসে? আপনি মূলত কোন কারণে আমাজন এফিলিয়েট প্রোগ্রামে জয়েন করেছেন? আপনি আমাজন সম্পর্কে কি জানেন? এসব প্রশ্নসমূহ উত্তর আপনাকে প্রদান করতে হবে পরবর্তী ধাপে যাওয়ার জন্য। সঠিকভাবে প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

আপনি কীভাবে আপনার সাইটে ট্রাফিক চালান তা ব্যাখ্যা করুন।

আপনার পেমেন্ট পদ্ধতি নির্বাচন করুন।

আপনি এখন বা পরে আপনার পেমেন্ট মেথড (ক্রেডিট কার্ড) এবং ট্যাক্স ইনফরমেশন তথ্য প্রদান করতে হবে। এসব তথ্য প্রদান করে আপনার এফিলিয়েট ড্যাশবোর্ডে চলে যান।

আপনার পেমেন্ট পদ্ধতি নির্বাচন করুন।

অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক তৈরি করুন।

আপনি যদি একবার একাউন্ট তৈরি করে নেন, তাহলে পরবর্তীতে আপনি শুধুমাত্র লগইন করে আপনার এফিলিয়েট ড্যাশবোর্ডে চলে যেতে পারবেন।

এই ড্যাশবোর্ডে আপনার এফিলিয়েট ইনকামের একটা ওভারভিউ দেখতে পাবেন, মাসে আপনি কত আয় করছেন, মোট কতটি ক্লিক আপনার ওয়েবসাইট থেকে এসেছে। সবকিছু বিস্তারিতভাবে আপনি পেয়ে যাবেন সকল তথ্য। এখান থেকে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য এফিলিয়েট লিংক তৈরি করতে পারবেন।

অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক তৈরি করুন।

কিভাবে আরো বেশি ভিজিটর পাবেন?

আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য আপনি যে ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন, সেই ওয়েবসাইটে অবশ্যই ভিজিটর আসতে হবে না হয় আপনি পণ্য বিক্রি করতে পারবেন না। ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার জন্য আপনাকে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। চলুন দেখে নিই কি কি পদক্ষেপ নিতে হবে আপনাকে ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনতে:

১. সঠিকভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ ।

আমি আগেই বলেছি, সঠিকভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ সফলতার অন্যতম ধাপ। আপনি যদি ভালোভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারলে, আপনি খুব সহজে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনতে সক্ষম হবেন। আর্টিকেলে অবশ্যই প্রাসঙ্গিক কিওয়ার্ডটি প্লেস করতে হবে। কিওয়ার্ড সঠিকভাবে প্লেস করলে আপনার দর্শকরা আপনাকে খুজে পেতে খুব সহজ হবে। তাই সঠিকভাবে কিওয়ার্ড প্লেস ও রিসার্চ করলে আপনার জন্য ভিজিটর পাওয়া খুব সহজ হবে।

২. প্রাসঙ্গিক বিষয়ে আর্টিকেল।

আপনি যে পণ্যগুলোর প্রচার করতেছেন সে পণ্য বিষয়ে লেখার চেষ্টা করুন। পণ্যের প্রচারের কথা মাথায় রেখে, আপনাকে লিখতে হবে। পণ্যের প্রচার, পণ্য সম্পর্কিত বিষয় ছাড়া অন্যান্য অযাচিত কোন লেখা লিখতে পারবেন না ওয়েবসাইট এর জন্য। কারণ, এতে করে আপনার ওয়েবসাইট দর্শকদের মনোযোগ ধরে রাখতে পারবে না। টাইটেল এ যা লিখবেন সে সম্পর্কিত বিষয়ে লিখবেন অবশ্যই। একটি সুন্দরভাবে মেটা ডেস্ক্রিপশন লিখুন, এটি এসইওয়ের জন্য দারুণভাবে কাজ করে।

৩. বিজ্ঞাপন প্রচার করুন।

আপনার যদি বাজেট থাকে, তাহলে আপনার আর্টিকেল গুগল টপ র‌্যাংকে রাখার জন্য বিজ্ঞাপন চালাতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইটের অনেক বেশি ট্র্যাফিক এবং এফিলিয়েট বিক্রি বাড়ার সম্ভাবনা রয়ে যায়। যদিও আপনি সবক্ষেত্রে সফল হবেন না, তাই বিজ্ঞাপন পরিচালনা করার আগে পরিকল্পনা ও চিন্তা-ভাবনা করুন।

৪. এসইওকে গুরুত্ব দিন।

আপনি এসইওকে যত গুরুত্ব দিবেন, এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে আপনি ততই সফলতা লাভ করবেন। আপনি আর যাই করেন, এসইও নিয়ে কখনো হেলা-ফেলা করতে পারবেন না। কারণ, আপনার সাইটের মূল চালিকা শক্তি বা ভিজিটর আনতে সহায়তা করবে আপনাকে। সঠিকভাবে আপনার সাইটকে এসইও করে অপটিমাইজ করুন, দেখবেন সফলতা আপনার হাতে ধরা দিবে। এসইও করার মাধ্যমে আপনি প্রত্যেক দিন নতুন নতুন কাষ্টমার পাবেন এটা নিশ্চিত।

৫. গেষ্ট পোষ্ট করুন।

গেষ্ট পোষ্টিংয়ের দ্বারা আপনি অনেকভাবে উপকৃত হবেন। তার মধ্যে, অন্যতম হল আপনি অন্যের ওয়েবসাইট থেকে প্রচুর ট্র্যাফিক কনভার্ট করে আপনার ওয়েবসাইটে আনতে পারবেন। তাছাড়া এটি ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করে আপনার সাইটের জন্য। আপনার সাইটে যতবেশি ব্যাকলিংক থাকবে, ততই সাইটের অথরিটি তৈরি হবে। এতে করে, গুগুলের কাছে আপনার আলাদা একটি ইমেজ তৈরি হবে যা পরবর্তীতে ওয়েবসাইট র‌্যাঙ্ক করতে সাহায্য করবে।

৬. সোশ্যাল মিডিয়াতে একটিভ থাকুন।

আপনার ওয়েবসাইটের জন্য প্রয়োজনীয় সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টগুলি খোলে রাখুন এবং সবসময় একটিভ থাকার চেষ্টা করুন। সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার দর্শকদের জন্য নানান ধরণে অফার, ব্লগপোস্ট এবং ছবি আপলোড করে তাদের সাথে মেশার চেষ্টা করুন। এতে করে, ধীরে ধীরে তারা আপনার প্রতি আরো বেশি আগ্রহী হয়ে উঠবে। আপনার নিজস্ব একটি ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরি হবে। এই ব্র্যান্ড ভ্যালুকে কাজে লাগিয়ে আপনি আপনার সাইটে প্রচুর ট্র্যাফিক আনতে পারবেন খুব সহজে।

কিছু টিপস এন্ড ট্রিক্স?

১. আপনার নিশে অথরিটি তৈরি করুন।

আপনার ওয়েবসাইটটিকে একটি নিশের উপর অথিরিটিভ তৈরি করে তুলুন। অথরিটিভ হয়ে গেলে, আপনাকে পেছন ফিরে তাকাতে হবে না আর। আপনি গুগলে চাহিদার শীর্ষে থাকবেন আপনার নিশের ওপর, যদি অথিরিটি বিল্ড-আপ হয়।

অথরিটিভ সাইট গুগল খুব পছন্দ করে। শুধুমাত্র গুগল না, অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনগুলোর সমান পছন্দ। তাই আপনি যেকোন সময় সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে শীর্ষ অবস্থান পেতে পারেন। যদি আপনি শীর্ষ অবস্থান পান, তাহলে আয় আরো দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করি।

২. আপনার অডিয়েন্সদের জানুন।

আপনি কতটা ভাল এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারছেন, তা নির্ভর করে আপনার অডিয়েন্সদের কতটুকু জানতে পেরেছেন। অর্থাৎ- আপনি আপনার ওয়েবসাইটের দর্শকদের আচরণ কতটুকু জানেন।

আপনাকে বুঝতে হবে, আপনার ওয়েবসাইটের দর্শকরা কি চায়? তারা কি ধরণের প্রোডাক্টের প্রচার চায়? সে বিষয়ে আপনাকে ধারণা থাকতে হবে। কারণ, কোন দর্শক যদি মোবাইল চায়, আর আপনি যদি তাকে ল্যাপটপের কথা বলেন তাহলে সে আগ্রহ দেখাবে না। এতে আপনার কোন এফিলিয়েট ইনকাম আসবেনা। আবার পরবর্তীতে সে দর্শক আপনার ওয়েবসাইটে আবার ফিরে নাও আসতে পারে।

তাই দর্শকদের চাহিদা ও আগ্রহ সম্পর্কে ভালো জানা দরকার।

৩. নির্ভরযোগ্য ও সাহায্যকারী হয়ে উঠুন।

আপনার দর্শকদের কাছে আপনার ওয়েবসাইটের লেখালেখির মাধ্যমে তাদের কাছে নির্ভযোগ্য হয়ে উঠতে হবে। আপনি যদি নির্ভরযোগ্য হোন, তাহলে একজন দর্শক বার বার আপনার ওয়েবসাইটে ফিরে আসবে। আপনার দর্শকদের কোন ধরণের সমস্যাকে নিজের সমস্যা মনে সমাধান করে দিন যদি সম্ভব হয়। আর আপনি যদি তাদেরকে কোন সমস্যার ব্যাপারে সাহায্য করেন, তাহলে আপনি তাদের কাছে প্রিয় হয়ে উঠবেন। এসব ছোট ছোট বিষয়গুলো আপনাকে তাদের কাছে নির্ভরযোগ্য ও সাহায্যকারী হয়ে উঠতে পারবেন।

এতে করে, আপনার ওয়েবসাইটে বার বার ফিরে আসবে এবং আপনার প্রচার করা পণ্যগুলোর প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবেন।

শেষ কথা।

বন্ধুরা, আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? এই প্রশ্নটির উত্তরে আমি আপনাদেরকে শিখাতে পেরেছি কিভাবে আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন তা। আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য যতকিছু দরকার তা সম্পর্কে আপনাদেরকে অবগত করেছি ও শিখিয়েছি। যদিও আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং একটু লম্বা বিষয় তবুও যতটুকু পেরেছি সব বিষয় খোলাখুলি বলার চেষ্টা করেছি। আশা করি, এসব বিষয়গুলো মাথায় রেখে কাজ করলে আপনি আমাজন এফিলিয়েট শুরু করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

আমি যদি ভুলে কোন বিষয় এড়িয়ে যাই, আপনারা কমেন্টে জানাতে পারেন। আমি যথাসম্ভব উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। কারণ, আমি আপনাদের কমেন্টগুলোকে গুরুত্বের সহিত দেখি ও পড়ি। আর আপনার যদি মনে হয়, আপনার আর্টিকেলটি পড়ে ভাল লেগেছে তাহলে কমেন্টে অবশ্যই জানাবেন।

আপনি তো জানলেন, কিভাবে আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন তা। যদি আপনার কোন বন্ধু বা অন্যান্য পরিচিত মধ্যে কারো কাছে আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো? এই প্রশ্নটি থেকে থাকে তাহলে তাদের সাথে শেয়ার করবেন।

আরো পড়ুন:

-হ্যাপি এফিলিয়েটিং

Ismail Md. Abunur Shakil

Related Posts

One thought on “আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো?

Leave a Reply

Your email address will not be published.